About Me

Standard

11

Hello,

This is Revel Yusuf, from dhaka, Bangladesh.I am Currently studying  in B.S Information and Communications Technology at Bangladesh University of Professionals as 3rd year Student .

Python is my Passion,my dream,my fantasy.I passing my maximum time by writing Python scripts and solving the online judge problems.I wanna build my carrier on Python. I know some basic Programming languages also like C,C++,Java,JavaScript,html,css etc.

Now I am busy with Django Projects.I did learn Django from 6 months ago.Now I am doing some opensource Django Projects from GitHub.I wanna be a good web developer.

This is All about me 🙂 .

Contact Me

revelyusuf.blogspot.com

Facebook_id

gmail_account

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস

Standard

 

 বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
BUP Bangladesh University of Professionals
BUP logo.jpg
নীতিবাক্য Excellence Through Knowledge
স্থাপিত ৫ জুন, ২০০৮
ধরন সরকারি
ছাত্র ৫,০০০
স্নাতক ৪,০০০
স্নাতকোত্তর ১,০০০
ডক্টরেট ছাত্র ৫০
অবস্থান ঢাকা, বাংলাদেশ
ক্যাম্পাস ঢাকা সেনানিবাস, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬, বাংলাদেশ
সংক্ষিপ্ত নাম BUP
ওয়েবসাইট http://www.bup.edu.bd

 

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (ইংরেজি: Bangladesh University of Professionals) (BUP) বাংলাদেশের ৩০তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, যা ঢাকার মিরপুরে ২০০৮ সালে সামরিক বাহিনীর জন্য বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত।

 

                  সম্বন্ধযুক্তঃ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এ মোট নয়টি প্রতিষ্ঠান (বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী দ্বারা পূর্বে পরিচালিত) অন্তর্ভুক্ত আছে। এই প্রতিষ্ঠান গুলোঃ

  1. ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (National Defence College, NDC)
  2. ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (Defence Services Command & Staff College, DSCSC)
  3. মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি (Military Institute of Science and Technology, MIST)
  4. আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (Armed Forces Medical College, AFMC)
  5. আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি (Armed Forces Institute of Pathology, AFIP)
  6. আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউট (Armed Forces Medical Institute, AFMI)
  7. বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (Bangladesh Military Academy, BMA)
  8. বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি (Bangladesh Naval Academy, BNA)
  9. বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স একাডেমি (Bangladesh Air Force Academy, BAFA).

 

একাডেমিক কর্মসূচিঃ

এই বিশ্ববিদ্যালয় মোট আছে পাঁচটি অনুষদ আছেঃ

  1. কারিগরী শিক্ষা (Technical Studies)
  2. নিরাপত্তা এবং কৌশলগত শিক্ষা (Security and Strategic Studies)
  3. চিকিৎসাবিদ্যাবিষয়ক শিক্ষা (Medical Studies)
  4. ব্যবসায় শিক্ষা (Business Studies)
  5. সাধারন শিক্ষা (General Studies)

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি ব্যাচেলর ডিগ্রী বিভাগ আছে, এবং ব্যবসায়িক গবেষণা, সামরিক গবেষণা, যুদ্ধ গবেষণা, চিকিৎসা সহ আরো ২৫টি বিভাগে এই বিশ্ববিদ্যালয় এম ফিল এবং মাস্টার্স ডিগ্রী ডিগ্রী প্রদান করে

 

এমবিএ (সন্ধ্যা), এমবিএ (দিন) এবং ব্যবস্থাপন প্রোগ্রামঃ

ব্যবসা শিক্ষা অনুষদ (FBS) এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সরাসরি শিক্ষণ অনুষদ।

  1. এমবিএ (সন্ধ্যা)
  2. এমবিএ (দিন)
  3. বিবিএ (দিন)

প্রতিটি ব্যাচে ৫৫টি আসন আছে এবং ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত বছরে একবার হয়। সাধারণত ইএমবিএ (EMBA), এমবিএ এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বেসামরিক ছাত্রদের জন্য , কিন্তু কর্তৃপক্ষ প্রতিরক্ষা ছাত্রদের জন্য সিট খালি রাখার অধিকার সংরক্ষণ করে।

 

 

 

 

আইসিটি কি????

Standard

তথ্য  ও  যোগাযোগ  প্রযুক্তি  বা  আইসিটি  (ইংরেজি: Information and communications technology  (ICT)) সাধারণভাবে তথ্য প্রযুক্তির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক ধরনের একীভূত যোগাযোগব্যবস্থা  এবং টেলিযোগাযোগ , কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও তৎসম্পর্কিত এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, মিডলওয়্যার তথ্য সংরক্ষণ ,  অডিও-ভিডিও সিস্টেম   ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন। প্রযুক্তি। 

আইসিটি শব্দটির ব্যবহার শুরু করে একাডেমিক গবেষকরা ১৯৮০ সালের দিকে। কিন্তু শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকে। স্টিভেনসন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্য সরকারকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই শব্দটি উল্লেখ করেন, যা পরবর্তীতে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের নতুন জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়।

বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা একক তার বা একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয় প্রযুক্তিকে প্রকাশ করা হয়। একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ের ফলে বিশাল অংকের অর্থনৈতিক খরচ কমে গিয়েছে।

আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইন্ডেক্স বিশ্বব্যাপী আইসিটি ব্যবহার ও আইসিটি তে অংশগ্রহণ তুলনা ও বিন্যাস করে।

 

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রসমূহঃ

  • তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি।
  • তথ্য আদান-প্রদান বা তথ্য যোগাযোগ (টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট ইত্যাদি) প্রযুক্তি।
  • তথ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপকরণসমূহঃ

  • হার্ডওয়্যার
  • সফটওয়্যার
  • ডাটা
  • দক্ষ জনশক্তি
  • প্রক্রিয়া
  • নেটওয়ার্ক[৫]

বিশ্ব অর্থনীতিতে আইসিটিঃ

বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী আইসিটি তে খরচের মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে ৩.৫ ট্রিলিয়ন ইউ.এস ডলার এবং প্রতি বছর তা ৫% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি ১৫ বছরে এই খরচের মূল্য দ্বিগুণ হচ্ছে।

আইসিটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোট বাজেট ব্যবহারের শতাংশ নিম্নরূপঃ

  • ৩১% – ব্যক্তিগত খরচ (আভ্যন্তরিন)।
  • ২৯% – সফটওয়্যার খাতে খরচ (বাহ্যিক)।
  • ২৬% – হার্ডওয়্যার খাতে খরচ (বাহ্যিক)।
  • ১৪% – বাহ্যিক সেবা সরবরাহকারী।

আলো আসবেই……।।

Standard

বাংলা   ভাষা  আন্দোলন    ছিল তদানীন্তন   পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ)   সংঘটিত   একটি  সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে  ঘিরে  সৃষ্ট  এ  আন্দোলনের  মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণ দাবীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ বপিত হয়েছিল বহু আগে, অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।

১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তানের উদ্ভব হয়। কিন্তু পাকিস্তানের দু’টি অংশ – পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে অনেক মৌলিক পার্থক্য বিরাজ করছিল। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকারঘোষণা করে যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানকারী বাংলাভাষী সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয় ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। কার্যতঃ পূর্ব পাকিস্তান অংশের বাংলাভাষী মানুষ আকস্মিক ও অন্যায্য এ সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি এবং মানসিকভাবে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। ফলস্বরূপ বাংলাভাষার সম-মর্যাদার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন দ্রুত দানা বেঁধে ওঠে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে সমাবেশ-মিছিল ইত্যাদি বে-আইনী ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৮) এ আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু সংখ্যক ছাত্র ও প্রগতিশীল কিছু রাজনৈতিক কর্মী মিলে মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কাছাকাছি এলে পুলিশ ১৪৪ ধারা অবমাননার অজুহাতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। গুলিতে নিহত হন রফিক , সালাম, বরকত-সহ  আরও অনেকে। শহীদদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়ে ওঠে। শোকাবহ এ ঘটনার অভিঘাতে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

ক্রমবর্ধমান গণআন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার শেষাবধি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় এবং ১৯৫৬ সালে সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি প্রদান করে। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো বাংলা ভাষা আন্দোলন, মানুষের ভাষা এবং কৃষ্টির অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে যা বৈশ্বিক পর্যায়ে সাংবার্ষিকভাবে গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপন করা হয়।